দেশের পুঁজিবাজারে গত সপ্তাহে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের শেয়ারে দশমিক ৬৩ শতাংশ ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে। এছাড়া বাকি সব খাতের শেয়ারেই নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে কাগজ ও মুদ্রণ, তথ্য ও প্রযুক্তি এবং বস্ত্র খাতে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহে কাগজ ও মুদ্রণ খাতে সবচেয়ে বেশি ৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে এ খাতে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, আগের সপ্তাহে যা ছিল ১৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। গত সপ্তাহে খাতটিতে দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে ৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ। কাগজ ও মুদ্রণ খাতে গত সপ্তাহে ছয়টি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে দুটির এবং কমেছে চারটি কোম্পানির।
তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। গত সপ্তাহে এ খাতে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ১১ কোটি ৪৯ লাখ টাকা, আগের সপ্তাহে যা ছিল ২৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। গত সপ্তাহে খাতটিতে দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে ৫৮ দশমিক ৪২ শতাংশ। খাতটিতে গত সপ্তাহে ১১টি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে একটির এবং কমেছে ১০টি কোম্পানির।
বস্ত্র খাতে তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। গত সপ্তাহে এ খাতে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৫১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৭৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা। গত সপ্তাহে খাতটিতে দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে ৩০ দশমিক ৫৭ শতাংশ। বস্ত্র খাতে গত সপ্তাহে মোট ৫৮টি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে সাতটির, কমেছে ৫০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে একটি কোম্পানির।
ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ২ দশমিক ২৯ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। গত সপ্তাহে খাতটিতে দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে ৫৩ দশমিক ১৮ শতাংশ। ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে গত সপ্তাহে মোট পাঁচটি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর কমেছে চারটির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে একটি কোম্পানির।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ২ দশমিক ১৫ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। গত সপ্তাহে খাতটিতে দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে ১৩ দশমিক ৫৯ শতাংশ। মিউচুয়াল ফান্ড খাতে গত সপ্তাহে মোট ৩৭টি ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে পাঁচটির, কমেছে ২৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ছয়টি ফান্ডের।
এছাড়া সাধারণ বীমা খাতে ২ দশমিক ১ শতাংশ, পাট খাতে ১ দশমিক ৬৯, আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে ১ দশমিক ৬৫, সিমেন্ট খাতে ১ দশমিক ৩৮, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে ১ দশমিক ১৫, প্রকৌশল খাতে ১ দশমিক ৮, ব্যাংক খাতে দশমিক ৮৮, জীবন বীমা খাতে দশমিক ৮৫, সিরামিক খাতে দশমিক ৮১, করপোরেট বন্ড খাতে দশমিক ৭২, সেবা ও আবাসন খাতে দশমিক ৭০, টেলিকম খাতে দশমিক ২৭, ওষুধ ও রসায়ন খাতে দশমিক ২৬, ট্যানারি প্রতিষ্ঠান খাতে দশমিক ২৬ ও বিবিধ খাতে দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে।